বিজন ভাবনা

বিজন ভাবনা(৫০) যুদ্ধের রোজনামচা  

-বিজন সাহা

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইউক্রেন ব্যাপক ভাবে রাশিয়ার উপর ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই মস্কোর আশেপাশে শ’ খানেক ড্রোন ভূপাতিত করা হচ্ছে। কতগুলো ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে সেটা অবশ্য জানা যায় না। তবে রাশিয়া বিশাল দেশ। যেখানে ইসরাইল আয়তনে অনেক ছোট হয়েও ও দীর্ঘ দিন যাবত বিখ্যাত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা “আয়রন ডোম” গড়ে তুলেও ইরানের সব রকেট প্রতিহত করতে পারছে না, সেখানে রাশিয়ায় যে কিছু রকেট লক্ষ্যভেদ করবে, সেটা তো স্বাভাবিক। তবে যেহেতু মাঝে মধ্যেই এখানে সেখানে অগ্নিকান্ডের খবর পাওয়া যায়, তাই সব না হলেও এসবের কিছু অংশ যে ড্রোন আক্রমণে হলেও অবাক হবার কিছুই নেই। তবে যুদ্ধের সময় জনগণকে প্যানিকগ্রস্থ না করা যেকোনো সরকারের দায়িত্ব। সতর্ক থাকতে হবে, কিন্তু ভয় পেলে চলবে না। তাই সরকার যদি এসব খবর নাও দেয়, এতে অন্যায়ের কিছু নেই।

যখন ট্রাম্প বলছেন, ইরানের সাথে চুক্তি করে তিনি এখন ইউক্রেনের দিকে মনোযোগ দেবেন, তখন কেন এই আক্রমণ? জি-৭ এর সামিটের আগে বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায়, কলেজের হোস্টেল, বেলারুশের স্কুল ছাত্রদের বহনকারী যাত্রীবাহী বাস শুধু নয়, পিতেরবুরগ ইকোনোমিক্যাল ফোরামের সময় সেখানে পর্যন্ত আক্রমণ করেছে ইউক্রেন। তাদের মূল লক্ষ্য ট্রাম্পকে দেখানো যে ইউক্রেন শেষ হয়ে যায়নি, তারা এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমেরিকার উচিৎ ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করা। আর ইউরোপ এটাকে পুঁজি করে ট্রাম্পকে আলাস্কার রোড ম্যাপ থেকে সরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করে গেছে, যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দনবাস রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দিয়ে যে শান্তি চুক্তির প্রস্তাব করেছিলেন, সেই প্রস্তাবের কবর রচিত হয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না।

পাশাপাশি বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউরোপের নেতারা বিভিন্ন ফর্মে ও ফোরামে ইউক্রেন যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার জন্য সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। এখন ইউরোপ শুধু দনবাস নয়, ক্রিমিয়াও ইউক্রেনকে ফিরিয়ে দেবার দাবি জানাচ্ছে। এটা যে শান্তির পথে অনতিক্রম্য বাঁধা সেটা বুঝতে কষ্ট হয় না। এর মানে হচ্ছে যে করেই হোক তারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়। আর সেজন্য ইউক্রেনের সমস্ত কলকারখানা ব্রিটেন, জার্মানি, আমেরিকা, ডেনমার্কে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন ইউক্রেন এসব দেশের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার করে অস্ত্র তৈরি করবে, কিন্তু এসব কারখানা রুশ আঘাতের আওতায় পড়বে না। এমতাবস্থায় রাশিয়া কি করতে পারে?

গত ২১ জুন রাশিয়ায় চিকিৎসা কর্মী দিবস পালন করা হয়। প্রেসিডেন্ট পুতিন এ উপলক্ষ্যে ডাক্তারদের অভিনন্দন জানান, অনেককেই বিভিন্ন পদকে ভূষিত করেন। যুদ্ধের কারণে এখন যেসব চিকিৎসা কর্মী যুদ্ধ ক্ষেত্রে আহতদের সাহায্য করে তারা এই মুহূর্তে বিশেষ ভাবে সম্মানিত হয়, তাদের ইন্টার্ভিউ নেয়া হয়। এদের যখন প্রশ্ন করা হল তারা কি শুধু আহত রুশ সেনাদের চিকিৎসা করে, উত্তরে জানা গেল সেখানে আহত ইউক্রেন সেনারাও আছে। তাদের কথা, আমরা চিকিৎসক, রুগির কোন জাত নেই, তারা তাই আহতের ইউনিফর্ম দেখে না। চেষ্টা করে প্রতিটি রোগীকে বাঁচাতে। যুদ্ধের সময় মানবিক থাকাটা চাট্টিখানি কথা নয়। এটা শুধু কথার কথা নয়। বিভিন্ন সময়ে রুশ টিভিতে যুদ্ধক্ষেত্রে হাসপাতালের যে দৃশ্য দেখায় সেখানে রুশ সেনাদের পাশাপাশি যুদ্ধবন্দী ইউক্রেন সেনারাও থাকে। আমাদের দেশে কি এসব সম্ভব? যেভাবে দিন দুপুরে মবের হাতে নিরপরাধ মানুষ খুন হয়, তাতে এমনটা আশা করা মনে হয় বাতুলতা।

২২ জুন রাশিয়ায় শোক দিবস। ১৯৪১ সালের এই দিনে ভোর ৪ টায় হিটলারের জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়নের ব্রেস্তস্কায়া দুর্গ আক্রমণ করে। যদিও জার্মান বিমান বাহিনী সেভাস্তোপোল আক্রমণ করে ভোর ৩.৩০ মিনিটে, যুদ্ধের শুরু ধরা হয় ব্রেস্তস্কায়া দুর্গ আক্রমণের সময় থেকেই। এর কারণ হয়তো এ পথেই জার্মান বাহিনী প্রথম সরাসরি সোভিয়েত ভূমিতে ঢুকে পড়ে। এরপর দীর্ঘ ১৪১৮ দিন চলবে এই যুদ্ধ। ২৭ মিলিয়ন সোভিয়েত নাগরিক প্রাণ হারাবে, দীর্ঘ ৯০০ দিন অবরুদ্ধ থাকবে লেনিনগ্রাদ, বিভিন্ন শহরে গড়ে উঠবে প্রতিরোধ, সোভিয়েত জনগণের বীরত্বের কাছে পরাজিত হবে জার্মানি ছিল বস্তুত সম্মিলিত ইউরোপ। ২২ জুন চিরতরে পরিচিত হবে শোকের দিন হিসেবে। এমন কোন সোভিয়েত পরিবার নেই যারা ঐ যুদ্ধে কোন নিকট জনকে হারায়নি। সোভিয়েত মানচিত্রে জন্ম নেবে ১২ টি বীর শহর – মস্কো, লেনিনগ্রাদ, ভোলগাগ্রাদ (স্তালিনগ্রাদ), কিয়েভ, সেভাস্তোপোল, ওদেসা, মিনস্ক, কের্চ, নভরাসিস্ক, তুলা, মুরমানস্ক, স্মলেনস্ক ও ব্রেস্তস্কায়া দুর্গ। মস্কোর ক্রেমলিনের দেয়ালের পাশে আলেসান্দর গার্ডেনে গড়ে উঠবে এসব শহরের প্রতিরোধকারীদের সম্মানে স্মৃতিসৌধ। এমনকি আজ যখন রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে লিপ্ত, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কিয়েভ ও ওদেসা প্রতিরোধকারী বীর সেনাদের। বীর জাতি ইতিহাস স্মরণ করতে ভয় পায় না, ইতিহাস ভুলে যেতে চায় সেই জাতি যারা নিজেদের অতীত সম্পর্কে সন্দিহান।
শোক দিবসের প্রাক্কালে এক জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে অনেকেই গান গাইল। না, এটা কোন প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের অনুষ্ঠান নয়, মূলত বিভিন্ন পেশার মানুষ, যারা গান গাইতে ভালবাসে, তারাই “মালাখভ” নামের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়। গত ২১ জুন এ রকম এক অনুষ্ঠানে রাশিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছিল গান পাগল কিছু মানুষ। এদের একজন কিছুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন। তারপরেও তিনি হাল ছাড়েননি, এখন দুর্ঘটনায় মৃত নাতির বন্ধুদের হকি খেলা প্রশিক্ষণ দেন, ওদের মাঝে খুঁজে পান নাতিকে। উনি কি গান গাইবেন জানতে চাইলে বললেন যে তাঁর জন্ম দনবাসে। ছোটবেলায় বাড়িতে তারা ইউক্রেনের গান গাইতেন, তিনি সেই গান গাইবেন। এরপর সবাই মিলে ইউক্রেনের গান গাইলেন। এটা রাশিয়ায় প্রধান টিভি চ্যানেল রাশিয়া-১ এ, প্রাইম টাইমে, প্রচণ্ড এক জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে। অথচ অনেক আগে থেকেই ইউক্রেন রুশ ভাষা, রুশ সংস্কৃতি বলতে গেলে নিষিদ্ধ করেছে। যে দেশের প্রায় ৪০% মানুষের মাতৃভাষা রুশ ও ৯০% মানুষ রুশ ভাষায় কথা বলে তারপরেও সেই ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেয়া হয়নি, বরং এখন সেই ভাষা নিষিদ্ধ করার বিল আনা হয়েছে। সবচেয়ে মজার বিষয় হল যারা বিল আনে তাদের বেশির ভাগ বাড়িতে তো বটেই এমনকি রাদা মানে পার্লামেন্টে রুশ ভাষায় কথা বলে।

পড়ুন:  বিজন ভাবনা (৪৯): যুদ্ধের গতিবিধি   -বিজন সাহা

দেশে ও বহির্বিশ্বে যে রুশ বিরোধী প্রোপ্যাগান্ডা চলছে সেটা বন্ধুদের মেসেজ থেকেই বোঝা যায়। এই তো সেদিন এক বন্ধু লিখল “মস্কোর আকাশে নাকি তেল বৃষ্টি হচ্ছে। পুরো রাশিয়া জুড়ে তেল সংকট। এসব খবরে দেশ বিদেশের সব পত্র পত্রিকা ছয়লাব। সংকট এড়াতে পুতিনের পদত্যাগ করা উচিৎ।” এর সত্যতা সম্পর্কে ও আমার মতামত জানতে চাইল। কি বলব? তেলের সঙ্কট হলে তেল বৃষ্টি হয় কীভাবে? – সেই প্রশ্ন কি কেউ নিজেকে করে? তবে তেলের ব্যাপারে রেস্ট্রিকশন আছে, গাড়িতে তেল দিচ্ছে, ক্যানিস্টারে দিচ্ছে না। কারণ ইউক্রেন বিভিন্ন তেল শোধনাগারে আক্রমণ করছে। এমতাবস্থায় মানুষ তেল মজুত করতে চাইবে। এটা এক ধরণের প্যানিক সৃষ্টি করবে। এতে সঙ্কট তৈরি হবে। যুদ্ধ যুদ্ধই। পশ্চিমা সব কথা বিশ্বাস করার আগে মানুষ একটু মাথা খাটালে নিজেরাই কিন্তু উত্তর পেয়ে যায়। পশ্চিমা বিশ্ব আর যাই চাক, রাশিয়ার মঙ্গল চায় না, কোন দিন চায়নি। আর চায় না বলেই যুদ্ধটা জিইয়ে রাখছে। পুতিনকে পদত্যাগ করানোর জন্য তারা তো সেই ২০০৭ সাল থেকেই চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিভিন্ন অজুহাতে তারা বিভিন্ন দেশের নেতাদের (তা আমাদের পছন্দ হোক আর নাই হোক) পদত্যাগ করিয়ে তো দেশগুলোর বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। তাই এই মুহূর্তে পুতিন পদত্যাগ করলে আর যাই হোক রাশিয়ার ভালো হবে না। বুঝতে হবে যে যুদ্ধের মাঠে পেরে না উঠে তারা এখন সিভিলিয়ানদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলতে চাইছে। সমস্যা হল, রুশদের যত বেশি চাপে তারা তত বেশি ভয়ঙ্কর, তত বেশি বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। এখন পশ্চিমা বিশ্ব জীবন পণ করে প্রোপ্যাগান্ডা যুদ্ধে নেমেছে। শুধু এ কথাই বলতে পারব, ওরা যখন বলবে রাশিয়ার অবস্থা খারাপ, এর মানে হল, রাশিয়া যুদ্ধের মাঠে ভাল করছে। অন্তত যুদ্ধক্ষেত্রের খবর তাই বলে। বাকি আছে দানিয়েৎস্কের শেষ কয়েকটি বড় শহর। এখন ক্রিমাতোরস্কের দখল নেবার জন্য মরণপণ লড়াই চলছে। লড়াই চলছে ক্রাস্নি লিমানস্ক ও স্লাভিয়ানস্ক দখলের জন্য। এসব এলাকা নিজেদের দখলে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এজন্যে যে এই এলাকায় রয়েছে দানিয়েৎস্কের জলের চাবিকাঠি। ২০১৪ সাল থেকে ইউক্রেন এসব এলাকায় ব্যাপক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। একবার দনবাসের পতন হলে শুরু হবে সমতলভূমি আর তখন চাইলে রুশ সেনারা অপেক্ষাকৃত কম বাধায় ইউক্রেনের ভেতরে ঢুকতে পারবে এবং ঢুকবে। না, এসব এলাকা দখল করার জন্য হয়, বাফার জোন তৈরি করার জন্য, যাতে ইউক্রেন সহজে রুশ ভূমি আক্রমণ করতে না পারে। আর যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেন সেনাদের অবস্থার ক্রমাবনতির কারণেই ইউক্রেন যেমন করেই হোক রাশিয়া আক্রমণ করে যতদূর সম্ভব ক্ষতি করতে চাইছে। এই হামলার গুরুত্ব যতটা না সামরিক তারচেয়ে বেশি রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবাদী। এর মধ্য দিয়ে সে পশ্চিমা বিশ্বকে নিজের সামরিক সক্ষমতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে সেখান থেকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য পেতে চায়। সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ চালিয়ে সে রুশ জনগণের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করতে চায় যাতে করে মস্কো তাদের শর্তে যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে রাজী হয়। তবে সেরগেই লাভরভ ও  প্রেসিডেন্ট পুতিন সাম্প্রতিক কালে বেশ কড়া ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ করে রুশ জনগণকে লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে বিচ্যুত করা যাবে না। তারা যুদ্ধ করে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে প্রস্তুত।

প্রস্তুত ইউরোপও। আমেরিকার সাথে সম্পর্কের টানাপোড়নে সে বুঝতে পারছে যে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেদেরই নিশ্চিত করতে হবে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে অর্থনৈতিক ভাবে তারা নিজেরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। জ্বালানির মুল্যবৃদ্ধির কারণে ইউরোপের বেসামরিক শিল্প প্রতিযোগিতায় হেরে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় দেশের অর্থনীতি ভাসিয়ে রাখতে হলে সামরিক শিল্প উজ্জীবিত করতে হবে। ইউক্রেনের যুদ্ধ সেই সুযোগ দেবে। প্রথমত ইউক্রেন অস্ত্র কিনলে ইউরপিয়ান কোম্পানিগুলো অস্ত্র নির্মাণে মনোযোগ দেবে, এতে একদিকে অর্থনীতির চাকা ঘুরবে, অন্য দিকে সরাসরি যুদ্ধে ব্যবহার করা হলে তারা সামরিক শিল্প নতুন পর্যায়ে উন্নীত করতে পারবে। এক কথায় এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এখন শুধু কিছু ইউরপিয়ান নেতার ইগোর প্রশ্ন নয়, শিল্পোন্নত দেশ হিসেবে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সময় মত এরা শেষ করতে পারবে কি না। যদি না পারে বিশ্ব সেই অর্থে ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক যুদ্ধের স্বাক্ষী হতে পারে। তবে, পারমাণবিক যুদ্ধে মানবজাতি যারপরনাই ক্ষতিগ্রতস্থ হলেও পৃথিবীর জন্য সেটা তেমন মারাত্মক কিছু হবে না। কারণ আমরা যেসব ঘটনা দুর্যোগ বলে মনে করি সেই ঝড়, জল, বৃষ্টি, ভূমিকম্প, অগ্নিকান্ড এসবই প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

গবেষক, জয়েন্ট ইনস্টিটিউট ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ
শিক্ষক, রাশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি, মস্কো