ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের আরাদ–দিমোনায় আহত ১৬০, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
Fazlul Kabir জুলাই ১, ২০২৬![]()
তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইসরায়েলের ভেতরে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে—এমন বার্তা দিয়েছে ইরান। শনিবার রাতে ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনার নিকটবর্তী দুটি শহর আরাদ ও দিমোনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এসব হামলায় অন্তত ১৬০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের মধ্যে আরাদে ৮৪ জন এবং দিমোনায় ৭৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরাদ শহরে হামলায় দুটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের বাইরের দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। নেগেভ মরুভূমির এই শহরটি মূলত রক্ষণশীল ইহুদি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত।
এই হামলার মাধ্যমে ইরান যে এখনো ইসরায়েলের অভ্যন্তরে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করার সক্ষমতা ধরে রেখেছে, তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের মানবিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও নতুন করে সামনে এসেছে।
ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কীভাবে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানল, তা খতিয়ে দেখতে জরুরি তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যে শতভাগ অভ্রান্ত নয়, তা আগের সংঘর্ষেও প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, দিমোনা থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না—সে বিষয়ে তারা এখনো নিশ্চিত নয়।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, দেশটির নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা-তে হামলার জবাব হিসেবেই এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।