Skip to content
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
  • মূলপাতা
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • চলমান সংবাদ
  • শিল্প সাহিত্য
  • ভিডিও
  • মতামত
  • মূলপাতা
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • চলমান সংবাদ
  • শিল্প সাহিত্য
  • ভিডিও
  • মতামত
Subscribe
Close

Search

বিজন ভাবনা

বিজন ভাবনা (৪৬): যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা    

-বিজন সাহা

By Fazlul Kabir
July 1, 2026 6 Min Read
Comments Off on বিজন ভাবনা (৪৬): যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা    

-বিজন সাহা

দেশে একটা কথা আছে – আপদ তাড়িয়ে বিপদ ডাকা। অনেকেই আবার বলে ফুটন্ত কড়াই থেকে চুল্লীর আগুনে পড়া। তবে শুধু দেশেই নয়, এ ধরণের ঘটনা আমরা বিশ্ব রাজনীতিতে হরহামেশাই দেখি। ইসরাইল ও আমেরিকা মিলে ইরান আক্রমণ করলে ইউক্রেন যুদ্ধ অনেকটাই পর্দার আড়ালে চলে গেছিল। অনেকে তো ফোন করে জানতেও চাইত – কি ব্যাপার, যুদ্ধ থেমে গেল নাকি। ভাবখানা এই যেন কোন মুভির সবচেয়ে উত্তেজনাকর এপিসোডে কারেন্ট চলে গেছে। যাহোক, আমেরিকা আর ইরান সমঝোতায় পৌঁছানোর খবরে ইউক্রেন আবার সামনে চলে এসেছে। জেলেনস্কি অবশ্য চেষ্টার ত্রুটি করেনি নিজেকে সংবাদ মাধ্যমে ভাসিয়ে রাখতে। কারণ যুদ্ধ মানেই পশ্চিমা ঋণ আর সেই বিশাল ঋণ থেকে কমিশন নেবার সুযোগ। তবে এটা শুধু জেলেনস্কির একার নয়,  পশ্চিমা বিশ্বের প্রায় সব নেতাদের পকেটেই বিভিন্ন অনুপাতে এই অর্থ জমা পড়ে বলে বাজারে কথা আছে। আর তাই ইউক্রেন সর্বান্তকরণে চেষ্টা করেছে অনির্বাণ শিখার মত যুদ্ধের আগুন জিইয়ে রাখতে। বিভিন্ন সময়ে রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা আক্রমণ করেছে। রাশিয়া উত্তর দিয়েছে। তবে সর্বশেষ যখন ইউক্রেন লুগানস্ক রিপাবলিকের স্তারোবেলস্ক শহরে হোস্টেল আক্রমণ করে তখন থেকে অবস্থার অবনতি ঘটে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে এটা প্রাইমারী স্কুল শিক্ষক ট্রেনিং সেন্টার, যেখানে ১৪ থেকে ২২ বছর বয়সের শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করত। এদের বেশি ভাগই মেয়ে। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা দরকার। মাত্র কয়েকদিন আগে ইউক্রেন হিটলারকে সহযোগিতাকারী ইউক্রেন ফাসিস্ট মেলনিকের দেহাবশেষ ইউক্রেনে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করে। যেদিন মেলনিকের দেহাবশেষ ইউক্রেনের কাছে হস্তান্তর করে সেদিন এই আক্রমণ ঘটে। মেলনিক নিজে প্রচুর শিক্ষক হত্যা করে যাতে তারা ইউক্রেনের শিশুদের সোভিয়েত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে না পারে। তাই অনেকের ধারণা স্তারোবেলস্কে ভবিষ্যৎ শিক্ষকদের উপর আক্রমণ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। যেহেতু সেখানে কয়েক ঘন্টার মধ্যে পর পর তিন বার ড্রোন আক্রমণ হয়েছে তাই বলা যায় এটা ভুলক্রমে কোন আক্রমণ নয়, সুপরিকল্পিত। তাছাড়া এ রকম আক্রমণের জন্য দরকার নিখুঁত স্পুটনিক ডাটা। তাই এর পেছনে যে পশ্চিমা গোয়েন্দা চক্র, খুব সম্ভবত এমআই-৬, জড়িত ছিল সেটাও কমবেশি সত্য। এর মধ্য দিয়ে ইউক্রেন তথা পশ্চিমা বিশ্ব চেয়েছিল রুশ জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে। তবে আতঙ্কের পরিবর্তে রোষ তৈরি হয়েছে। মানুষ এখন প্রতিশোধ দাবি করছে। রাস্তায় নামেনি, তবে রাস্তাঘাটে মানুষের কথা শুনে স্পষ্টই বোঝা যায় তারা চায় সরকার আরও কঠোর হোক, সমস্ত শক্তি দিয়ে ইউক্রেন ও তার দোসরদের  উপর ঝাপিয়ে পড়ুক। পশ্চিমা বিশ্ব ভেবেছিল এর মধ্য দিয়ে জনগণ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করবে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য। তবে সত্যটা হল জনগণ চাপ সৃষ্টি করছে দ্রুত ইউক্রেনকে পরাজিত করে যুদ্ধ শেষ করার জন্য। এসবই সরকারকে আরও বেশি কঠোর হতে বাধ্য করবে।

 

রাশিয়া ইতিমধ্যেই আগের চেয়ে অনেক তীব্র ভাবে ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনাগুলো আক্রমণ করছে। শুধু তাই নয়, তারা কিয়েভ থেকে পশ্চিমা বিশ্বের দূতাবাসের কর্মীদের সরিয়ে নেবার জন্য বলেছে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই লাভরভ মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মারকো রুবিওকে ফোন করে মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সরিয়ে নেবার অনুরোধ জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে  ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকেই এই বার্তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ইউরোপিয়ান দেশগুলো তাদের দূতাবাস খালি করবে না বলে জানিয়েছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন যারা নিজ দেশের মানুষের দুর্দশা দেখেও রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছে তারা কূটনীতিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেবে সেটা আশা করা বাতুলতা। উল্লেখ করা যেতে পারে যে ১৯৯৯ সালে বেলগ্রেড আক্রমণের সময় চীনা দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই যদি প্রয়োজন হয় রাশিয়া এসব দূতাবাস নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাবে বলে মনে হয় না।

ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ মনে করছে রাশিয়া আসলে ব্লাফ দিচ্ছে, শেষ পর্যন্ত তাদের আক্রমণ করবে না। কিন্তু কথা হল তারা যদি অনবরত রাশিয়াকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয় তাহলে সে কেন আক্রমণ করবে না? একই কাজ তো তারা করেছে ইউক্রেন আক্রমণের আগেও। বিভিন্ন ভাবে রাশিয়াকে প্ররোচিত করেছে ইউক্রেন আক্রমণ করার জন্য। তাদের আশা ছিল এর ফলে তারা যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে তাতেই রাশিয়া ধরাশায়ী হবে, অন্তত পুতিন ক্ষমতাচ্যুত হবে। হয়নি। বরং সবাইকে অবাক করে দিয়ে রাশিয়া আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হয়েছে, জনগণ আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি মানুষের মোহ কমেছে আর পশ্চিমা বিশ্ব নিজে অর্থনৈতিক  ভাবে দুর্বল হয়েছে। এখন জেলেনস্কির মত তারাও নিজেদের অর্থনীতির ছিদ্র বন্ধ করার জন্য সামরিক খাতে বাজেট বাড়াচ্ছে। জার্মানি নিজেকে সামরিক ভাবে শক্তিশালী করছে। জার্মানি সামরিক ভাবে শক্তিশালী হওয়া মানেই বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা। দুই বার এই ঘটনা ঘটেছে। আর জার্মানির আগ্রাসনের প্রথম শিকার হয়েছে ইউরোপ। রাশিয়া তারা আক্রমণ করেছে সবার শেষে, সবার কাছ থেকে সম্পদ ও সৈন্য নিয়ে নিজে শক্তিশালী হবার পরেই। তাই জার্মানির এই ভাবনা যে সবাই খুব সহজ ভাবে নেবে তা নয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে আমেরিকা ও ইংল্যান্ড চেয়েছিল জার্মানিকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত করে রাখতে। শুধু স্তালিনের কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি। স্তালিন তখন বলেছিলেন, “হিটলার আসে যায় কিন্তু জার্মান জনগণ থেকে যায়।” ঠাণ্ডা যুদ্ধ শেষ পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে আমেরিকা দুই জার্মানি একত্রিত হোক সেটা চায়নি। কিন্তু গরবাচভের কারণেই সেটা সম্ভব হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন যে জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে হাঁটলে রাশিয়ার উচিৎ অঙ্কুরেই সেটা বিনষ্ট করা, ইসরাইল বা আমেরিকা ইরানে যেভাবে আক্রমণ চালিয়েছে প্রয়োজনে তারচেয়েও তীব্রভাবে আক্রমণ চালিয়ে জার্মানির এই প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেওয়া। কারণ দুই দুই বার বিশ্বযুদ্ধ লাগিয়ে প্রমাণ করেছে যে সামরিক ভাবে খুব শক্তিশালী জার্মানি বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি স্বরূপ।

পড়ুন:  বিজন ভাবনা (৪৭): যাত্রী একই তরণীর <h3>-বিজন সাহা

কয়েকদিন আগে রাশিয়াকে কীভাবে পরাজিত করা যায় তার কয়েকটি রেসিপি প্রকাশিত হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ফলে সারা পৃথিবীর নাভিশ্বাস উঠেছিল, কিন্তু আমরা যারা রাশিয়ায় থাকি তারা ততটা অনুভব করিনি। যেসব মানুষ বিদেশি দামী খাবার, পোষাক পরিচ্ছদ, গাড়ি ইত্যাদিতে অভ্যস্ত তারা হয়তো অসুবিধায় পড়েছিল। কিন্তু কয়জন মানুষ প্যারিস থেকে লন্ড্রি করে বা সেখানকার রুটি দিয়ে ব্রেকফাস্ট করে? বরং এসব নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়া আজ খাদ্য সহ অনেক কিছুতেই স্বয়ংসম্পূর্ণ।‌ বছরের পর বছর অবরূদ্ধ থাকলেও এরা ঠিকই টিকে থাকবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় লেনিনগ্রাদ ৯০০ দিন অবরুদ্ধ ছিল তবুও হার মানেনি। হার না মানা, মাটি খেয়ে হলেও পিতৃভূমিকে রক্ষা করা – এটা এদেশের মানুষের রক্তে, এটা এদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য। এর আগে বারবার চেষ্টা করেও কেউ পারেনি এদের বশ্যতা মানাতে। আজ যখন এরা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী তখন রাশিয়ার আগে পশ্চিমা বিশ্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ‌এমতাবস্থায় রাশিয়াকে যুদ্ধের ভয় দেখানো বাতুলতা। তাই রাশিয়াকে বশ মানানোর রেসিপি না খুঁজে তার সাথে বন্ধুত্ব করার পথ খোঁজা ভালো। তবে ইউরোপ যেভাবে উঠেপড়ে লেগেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আর ন্যাটোর পঞ্চম ধারার উপর আস্থা রাখতে না পেরে যেভাবে ন্যাটোর ভেতরেই বিভিন্ন ছোটোখাটো এলিয়ন্স গড়ে তুলছে তাতে কারাগানভ সহ অনেকেই মনে করছেন সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাশিয়ায় উচিৎ হবে পশ্চিমা বিশ্বের কোন এক দেশের কোন স্থাপনায় আঘাত হানা এবং সেই সাথে বলা যে যদি তারা শান্ত না হয় এরপর পারমাণবিক অস্ত্রের আঘাত আসবে। এটা অনেকটা হিস্টেরিয়াগ্রস্থ কাউকে হঠাৎ থাপ্পর মেরে সম্বিত ফেরানোর মত। এর আগে মূলত কারাগানভ একাই এই তত্ত্বের এডভোকেসি করলেন। বর্তমানে ত্রিনিন সহ অনেকেই এটাকে সমর্থন করছেন, শুধু তাই নয় এর পক্ষে জনমত গড়ার চেষ্টা করছে। কারণ দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ সমাজের উপর নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে যা যে সমস্ত কথা চিন্তা করে যুদ্ধ তীব্র করা হচ্ছে না তারচেয়েও ক্ষতিকর হতে পারে। ইতিমধ্যে ব্রিটেন ইউক্রেনকে এক লাখ বিশ হাজার ড্রোন সরবরাহ করার ঘোষণা দিয়েছে। জার্মানি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেবার কথা ভাবছে। সুইডেন ১৫০ টি গ্রিপেন বোমারু বিমান দেবার কথা ঘোষণা করেছে। ইউক্রেন নিজেই প্রচুর পরিমাণ ড্রোন তৈরি করে। তারাও ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার উপর আক্রমণ আরও তীব্র করবে। মস্কোর উপর প্রতিনিয়ত আক্রমণ করার চেষ্টা বাড়ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সবাই মিলে বাধ্য করবে রাশিয়াকে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়াতে।

রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আত্মঘাতী হওয়া নতুন কিছু নয়। কয়েক দশক আগে শ্রীলঙ্কা, প্যালেস্টাইন সহ অনেক দেশে এটা দেখা গেছে। অনেক সময় নিজ দলের কর্মীরা সবার মুক্তির জন্য কাউকে আত্মাহুতি দিতে রাজি করায়। তবে এসব ঘটে ব্যক্তি পর্যায়ে। কিন্তু ইদানিং কালে রাষ্ট্রীয় ভাবে এসব ঘটছে। আজকাল প্রায়ই বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো রাশিয়া আক্রমণ করার হুমকি দেয়। এরা কি কখনো ভাবে যে যে ন্যাটোর উপর ভরসা করে তারা রাশিয়াকে সুড়সুড়ি দিচ্ছে ন্যাটোর সাথে যুদ্ধের প্রথম কয়েক ঘন্টায় তাদের অস্তিত্ব পর্যন্ত থাকবে না যদি তা পারমাণবিক রূপ নেয়। ইউনুস নিজেও হয়তো কারো উস্কানিতে সেভেন সিস্টারের কথা বলেছিল। তারও ভাবা দরকার ছিল বন্ধুরা এগিয়ে আসতে আসতে দেশটা লন্ডভন্ড হয়ে যাবে। আচ্ছা আজকাল মানুষ অন্যের লড়াই কেন লড়তে যায়? অন্তত জেলেনস্কির ভুল থেকেও তো ইউরোপের দেশগুলো শিক্ষা নিতে পারে। না, বাল্টিকের দেশগুলোর কালিনিনগ্রাদের কোন এক সামরিক ঘাঁটি দখল করা চাইই। অথবা ইংল্যান্ড, যেখানে সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই, রাজপরিবারের সম্মান ভূলুণ্ঠিত তাদের ইউক্রেন ও বাল্টিকের দেশগুলোর সাথে একজোট হয়ে রাশিয়াকে খোঁচাতে হবেই। চার্চিল বলতেন ইংল্যান্ডের কোন বন্ধু নেই, তার আছে জাতীয় স্বার্থ। বর্তমান সময়ের ইংল্যান্ডের সব প্রশাসনের জন্য বলা যায়, ইংল্যান্ডের বন্ধু বা জাতীয় স্বার্থ নেই, তার আছে শুধু ইউক্রেনের স্বার্থ।  যারা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি অন্ধ ঘৃণা পোষণ করে ইউনুসকে স্বৈরাচারী বলতে দ্বিধা করে, তারাই আমেরিকা ও পশ্চিমা বিশ্বের ক্ষমতাসীনদের দ্বিচারিতা, অনৈতিকতা থেকে চোখ ফিরিয়ে পুতিন, সি এদের স্বৈরাচারী বলে গলা ফাটায়। আমাদের একটি কথা বুঝতে হবে যে মানুষ প্রকৃতির খুব ক্ষুদ্র একটি অংশ মাত্র। মানুষের ভালমন্দে তাই প্রকৃতির খুব একটা কিছু এসে যায় না। ঝড়, জল, বৃষ্টি, উর্বরা ভূমি, মরু, পাহাড়, বন, জঙ্গল – সব কিছুই প্রকৃতির অংশ। যুদ্ধের ফলে যদি পৃথিবী মানুষের বাসের অযোগ্য হয় তাতে প্রকৃতির কিছু এসে যাবে না। অন্য কোন প্রাণী এখানে নতুন করে ঘর বাঁধবে। তাই কে করল সেটা না ভেবে যতদিন না আমরা কি করল, কেন করল এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ জবাব নিজ নিজ সরকারের কাছে চাইব, তত দিন, যে দেশের নাগরিকই হই না কেন, আমাদের নিজেদের চিরস্থায়ী এক বিপদের মধ্যেই রাখব।

গবেষক, জয়েন্ট ইনস্টিটিউট ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ
শিক্ষক, রাশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি, মস্কো

ShareTweetSubscribe

Tags:

bv45bv46
Author

Fazlul Kabir

Follow Me
Other Articles
Previous

ঈদের দুপুরে চট্টগ্রামে কোরবানির মাংসের অস্থায়ী বাজার, বিক্রির টাকায় চলছে চিকিৎসা-সংসার

Next

যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে ‘কালোতালিকাভুক্ত’, গুতেরেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা

শেষ খবর

  • ফেরদৌস স্টিলে ৯ শ্রমিক নিহত: নিরাপত্তা অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ ফোরামের
  • তারেক রহমানের ভারত সফর: ২০-২১ আগস্টের বদলে ২২-২৩ আগস্ট ভাবছে ঢাকা
  • ভাটিয়ারীতে স্ক্র্যাপ জাহাজে বিষাক্ত গ্যাস লিকেজে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ১০-এর বেশি
  • মির্জা ফখরুলই হতে যাচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি
  • বিজন ভাবনা (৫৭): শেখ হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলন – বিজন সাহা

বিভাগ সমূহ

  • অন্যান্য
  • চলমান সংবাদ
  • বিজন ভাবনা
  • মতামত
  • শিল্প সাহিত্য
  • স্বাস্থ্য

আর্কাইভ

July 2026
S M T W T F S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  
« Oct   Aug »

উপদেষ্টা মণ্ডলী

সুভাষ দে
বালাগাত উল্লাহ্

সম্পাদকঃ

উৎপল দত্ত

সম্পাদক মন্ডলীঃ

মোহাম্মদ আতিক, নুপুর ধর
ফজলুল কবির মিন্টু, শওকত আলী
প্রকাশ ঘোষ, শিমুল দত্ত
রবিন গুহ, কাওসার পারভীন,
ড. উদিতি দাশ সোমা

ঠিকানাঃ

৫০৮ বানু বিল্ডিং, দামপাড়া মসজিদ লেন, চট্টগ্রাম

Copyright 2026 — . All rights reserved. Blogsy WordPress Theme