বিজন ভাবনা (৪৪): রাজনীতির কানাগলি – বিজন সাহা

বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে তাও প্রায় তিনমাস হল। এবার বিভিন্ন কারণে যেহেতু বিএনপির পক্ষে নির্বাচনের সময় কথা বলেছি তাই তাদের কাছে অনেক কিছুই আশা করেছিলাম। যেমন আশা ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাদের কমিটমেন্ট হবে ভিন্ন রকম, ইউনুস সরকারের আমলে যারা মিথ্যা মামলায় দিনের পর দিন জেলে আটক ছিল তারা অন্তত জামিনে মুক্তি পাবে। পুলিশ হত্যা সব চব্বিশের জুলাই আগস্টে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তার নিরপেক্ষ বিচার শুরু হবে। তবে ইচ্ছা থাকলেও সেটা পূরণ করা বিএনপির পক্ষে সহজ হবে না সেটাও জানতাম। আর এর কারণ শুধু বর্তমানের ক্ষমতার সমীকরণ নয়, বিএনপির জন্ম ইতিহাস।
আমরা প্রায়ই বলি বিএনপির জন্ম ব্যারাকে। কিন্তু পঁচাত্তর তো মাত্র কিছু বিপথগামী অফিসারের মস্তিষ্কপ্রসূত দুর্ঘটনা ছিল না, ছিল ঠান্ডা মাথায় সুপরিকল্পিত একটা অপারেশন যাকে এখন বলে মেটিকুলাস প্ল্যান। আর এটা যে সিআইএ তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি অংশগ্রহণে ঘটেছিল তাতে তো সন্দেহ নেই। এসব বিষয় সরাসরি না হলেও মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছে। ভাবার কারণ নেই যে আমেরিকা সেটা করেছিল শেখ মুজিবের প্রতি প্রতিহিংসা থেকে। এটা তারা করেছিল ভূ-রাজনৈতিক হিসেব নিকেশ থেকে। ভারত বিভাগও সেই হিসেব থেকেই। মুসলিম লীগ তৈরি করা হয় স্বাধীনতা সংগ্রামে লিপ্ত কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য। কিন্তু যখন ভারতের স্বাধীনতা অনিবার্য হয়ে পড়ে তখন কংগ্রেস নেতা নেহেরু কমন ওয়েলথে যোগদানের ব্যাপারে গড়িমসি করতে শুরু করেন। এই ঘটনা ইংরেজদের দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগের পক্ষে মত দিতে আগ্রহী করে তোলে। এর আগে অনেকদিন পর্যন্ত তারা এই প্রশ্নে দোদুল্যমান ছিল। ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থের কথা ভেবে নয়, ভারত ছাড়ার পরেও যাতে তারা উপমহাদেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সেই চিন্তা থেকেই দেশভাগে ব্রিটিশ সমর্থন। কারণ স্বাধীনতার আগে থেকেই সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতি নেহেরুর দুর্বলতা ছিল সর্বজনবিদিত। পরবর্তীতে ব্রিটিশদের স্থান দখল করে আমেরিকা। সোভিয়েত ঘেঁষা ভারতকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই তারা সেই সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সমাজতান্ত্রিক শিবিরে ঝুঁকে পড়ার কারণেই তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরিকল্পনা ও সপরিবারে হত্যা। কিন্তু মুল উদ্দেশ্য নিঃসন্দেহে ছিল বাংলাদেশকে নিজ বলয়ে রাখা। আর সেটাই যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে আমেরিকার অনুমোদন ও সরাসরি অংশগ্রহণ ব্যতীত কীভাবে বিএনপি ব্যারাকে জন্ম নেবে? এই দলের জন্ম ওয়াশিংটনের কোন গোপন আড্ডায়, কোন চোরাগলিতে বা ডিপস্টেটের গর্ভে। তাই চেষ্টা করলেও বিএনপি যে ইচ্ছেমত সব কিছু করতে পারবে সেটা ভাবার কারণ নেই। খলিল সহ অনেককেই মন্ত্রী সভায় রাখা থেকে অবশ্য সেটা টের পাওয়া যাচ্ছিল।
প্রথমেই আসা যাক বিনা বিচারে ও অনেক ক্ষেত্রেই মিথ্যা অভিযোগে কারাবন্দীদের কথায়। বিশেষ করে যেসব সাংবাদিক, শিল্পী, সমাজকর্মী কারাবন্দী ও যাদের অপরাধ নিয়ে দেশের বেশিরভাগ মানুষ দ্বিমত পোষণ করে, সরকার চাইলেই তাদের জামিনে মুক্তি দিতে পারত। এতে দেশের কোন ক্ষতি হত না, উল্টো বিএনপি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পারত। যদি সেটা না করে, তার মানে হয় বিএনপি ইউনুস সরকার ও এনসিপির বয়ান বিশ্বাস করে, অথবা কোন কারণে তাদের হাত-পা বাঁধা। যদি বিএনপি ন্যায়বিচার চায় সেখানেও কথা থেকে যায়। ন্যায়বিচারের লক্ষ্য সত্য ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক বা অন্য প্রতিপক্ষকে নির্যাতন করা নয়। শাস্তি দিয়ে শুধু অপরাধীকে তার কৃতকর্মের ফল ফিরিয়ে দেয়া হয় না, যারা অপরাধপ্রবন তাদের সতর্ক করা হয়। সেই অর্থে বিচার ব্যবস্থা শুধু পোস্ট ফ্যাক্ট মানে অপরাধ করার পর শাস্তি নয়, প্রিভেন্টিভ মেজার মানে সাবধান করে দেয়া। তবে এটা যে শুধু অপরাধ বা অপরাধীর ক্ষেত্রে সত্য তা নয়, প্রায়ই এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হয় ভিন্ন মতাবলম্বী বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রাজনীতিতে সরকার প্রায়ই প্রতিপক্ষকে দমন করতেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিচার ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে। এজন্যেই সভ্য দেশে বিচার বিভাগকে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন রাখা হয়। শাহরিয়ার কবির সহ অনেকে যারা সামাজিক ভাবে ক্ষতিকর না হয়েও জামিন বা খালাস পাচ্ছেন না কারণ এদের মাধ্যমে সরকার মুক্তমনা, সংস্কৃতিমনা, ভিন্ন ধারার রাজনৈতিক চিন্তাধারা পোষণকারী মানুষদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছে। এটা অনেকটা ঝিকে মেরে বউকে বোঝানোর মত। এসব ঘটনা সরকার সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টিতে আদৌ আগ্রহী কিনা সেই প্রশ্ন নতুন করে তুলতে বাধ্য করে।
যদিও আগের চেয়ে কম, তারপরেও মব সংস্কৃতি এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। কয়েকদিন আগে এক জেলে জনতার হাতে বেদম প্রহারের শিকার হয়, পরে তার মৃত দেহ উদ্ধার করা হয় বাজার কমিটির অফিস থেকে ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায়। চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের এক নেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনা দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রশ্নবিদ্ধ করে। আর এই প্রশ্ন বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রের পথে ঠেলে দেয়। রাষ্ট্র, রাজনৈতিক দল ও সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ব্যতীত এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোন পথ আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু সরকার যদি নিজে উদ্যোগী হয়ে এসব ঘটনা বিচারের আওতায় না আনে তবে একদিন গরীব সংখ্যালঘু জেলের মৃত্যু একটা রাষ্ট্রের মৃত্যু ঘন্টা বাজিয়ে দিতে পারে। মনে রাখতে হবে শুধু বাইরের শত্রুর আক্রমণেই কেউ মারা যায় না, অসুখ বা আভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণেও অনেকে মারা যায়। পচন শুরু হয় ভেতর থেকে, সেই পচনের গন্ধ পেয়ে বাইরের শত্রুরা ধ্বংস ত্বরান্বিত করে। আমাদের দেশ এখন রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে আভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ জাতীয় অসুখে তীব্র ভাবে আক্রান্ত।
ইউনুস সরকার শুধু দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি সব কিছুই ধ্বংস করে গেছে। হামে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে চার শ’য়ের বেশি শিশু মারা গেছে। এ সবই হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায়, এমনকি উদ্যোগে। কারণ ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই বাজেট পাশ হয়েছিল এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। খবরে প্রকাশ ইউনিসেফ থেকে একাধিক বার সতর্ক করা সত্ত্বেও ইউনুস সরকার ভ্যাকসিন কিনতে ব্যর্থ হয়। যার পরিণাম এই শিশু মৃত্যু। অবাক হব না যদি শুনি এই শিশুদের বাবা-মারাই হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ইউনুসকে ক্ষমতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শিশু হত্যার জন্য অনেকেই ইউনুসের শাস্তি দাবি করছে। কিন্তু মব লেলিয়ে অসংখ্য মানুষ হত্যা করেও ইউনুস যখন বিচারের বাইরে থাকে তখন শিশু মৃত্যুতে পরোক্ষভাবে দায়ী হবার জন্য তাকে শাস্তি দেবে কে? বর্তমান সরকার শিশু ও মবের হাতে নিরপরাধ মানুষ হত্যার জন্য ইউনুস ও অন্যান্যদের বিচারের আওতায় না এনে নিজেও কি তাদের অপরাধের সহযোগী হচ্ছে না? সমস্যা হল শুধু ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়ই সবাই ন্যায়বিচার দাবি করে, ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেয়। কিন্তু একবার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারলে সবাই বেমালুম এসব কথা ভুলে যায়। ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে যে ন্যায়বিচার, সুশাসন, গণতন্ত্র, মানবতা এসব শুধু নির্বাচনী ইশতেহার, মিথ্যা আশ্বাস।
আবারও চিন্ময় দাসের জামিন নামঞ্জুর হল। তারেক রহমানের না বোঝার কারণ নেই যে এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট ধানের শীষেই পড়েছে। তার প্রধান কারণ আওয়ামী লীগের মাঠে না থাকা। সেক্ষেত্রে তারা ভোট না দিলেও পারত। তবুও জামায়াত যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সেই তাগিদ থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিএনপির পেছনে জড়ো হয়েছে। চিন্ময় দাস আর যাই হোক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য হুমকি নয়। এমতাবস্থায় তাকে মুক্তি দিয়ে বিএনপি কিছুটা হলেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জন করতে পারত, নিজের অবস্থান শক্ত করতে পারত। শুধু তাই নয়, সেই পদক্ষেপ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাত, এমনকি সেটা ভারতের নির্বাচনী ফলাফলকে প্রভাবিত করত। এখনও করে, তবে বাংলাদেশের অনুকূলে নয়। এ ঘটনাও প্রমাণ করে বিএনপি সরকার কতটুকু পরনির্ভরশীল।
আমেরিকার সাথে বানিজ্য চুক্তি নিয়ে জল্পনা কল্পনার অন্ত নেই। বিএনপির সুযোগ ছিল সেই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করার। যতদূর জানি সংসদে এ নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। অথচ যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা করিডোর, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ এসব বিষয়ে সরকারের নীরবতা সন্দেহজনক। এসব নিয়ে অবশ্য অনেকেই ফজলুর রহমানের প্রতি নাখোশ। কারণ তিনি ইউনুস সরকারের আমলে একাই যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলেছেন এখন সেভাবে বলছেন না। কিন্তু মনে রাখতে হবে তিনি বিএনপির সাংসদ। সেই সময় বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের সমর্থন আদায়ের জন্য ওনাকে সামনে এনেছে, তাঁকে বক্তব্য দিতে দিয়েছে। যখন সেই কাজ শেষ হয়েছে, বিএনপি নিজের রূপে ফিরে গেছে। আসলে বিএনপিতে সব সময়ই দুটি স্রোত বিদ্যমান ছিল। বিএনপির ভেতরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কণ্ঠ ক্ষীণ হলেও সেটা ধরে রাখা দরকার। সংসদে ফজলুর রহমান জামায়াতের বিরুদ্ধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন। সে জন্য হলেও তাঁর মত সাংসদদের সেখানে থাকা দরকার।
শিক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রশংসা করায় সমালোচিত। তার বিভিন্ন বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচায়ক। বলব না যে পাকিস্তানে ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। অবশ্যই আছে আর বিভিন্ন দেশের ছাত্ররা বিভিন্ন দেশে পড়াশুনা করতে যায়। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আসল কথা হল দেশপ্রেম। ইউনুস, আলী রিয়াজ আরো অনেকেই তো খোদ মার্কিন মুলুকে পড়াশুনা করেছে। কিন্তু এই দুই জন দেশের যে ক্ষতি করেছে এত ক্ষতি বোধ হয় আর কেউ করেনি। রাজনীতি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে তার কেন্দ্রে যদি মানুষ ও দেশ না থাকে তবে রাজনীতি, শিক্ষা সবই অর্থহীন।
ফরহাদ মাজাহার বলেছেন রেজিম চেঞ্জ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, দেশ আমাদের হাতে নেই। এটাতো নতুন কথা নয়। তারপরেও মুখ খুলে বুক উঁচিয়ে এই অপ্রিয় সত্য কথা স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদ। কয় জন বাম নেতা এই সত্যটি প্রকাশ্যে স্বীকার করতে পেরেছে? তারা তো ইউনুসের আমলে এমনকি মুক্তিযুদ্ধকে ডিফেণ্ড করতে পারেনি, আওয়ামী লীগের উপর ক্ষোভ থেকে মানুষ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাংচুর করছে এই বলে দায় এড়িয়ে গেছে। জানি না, ইংরেজদের দ্বারা গদিচ্যুত হবার পরে মীর জাফর তাদের বিশ্বাসঘাতক বলে গালি দিয়েছিল কিনা, নাহলে মীর জাফরের অসমাপ্ত কাজ আজ ফরহাদ মাজাহার শেষ করছে।
দেশে ফোন করে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা জিজ্ঞেস করলে সবার এক উত্তর – ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। এক সর্বগ্রাসী অনিশ্চয়তা চারিদিকে। সব কিছু পর্দার আড়ালে। শেখ হাসিনার আয়না ঘর থেকে শুরু করে ইউনুসের বানিজ্য চুক্তি, করিডোর, সেন্ট মারটিন – সব এক গভীর রহস্যে ঘেরা। সব সরকারের ভাবসাব অনেকটা জেলার বা দস্যুদের মত। জেলার ও দস্যুরা শুধু দাবি করে, তাদের কাজের জবাবদিহিতা করে না। রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের কাছে ভোট দাবি করে, ট্যাক্স দাবি করে, আনুগত্য দাবি করে। বিনিময়ে দেয় না কিছুই। অথচ মানুষের চাওয়া কি খুব বেশি? একটু নিরাপত্তা, চাকরি, স্বপ্ন দেখার সুযোগ আর শান্তি!
গবেষক, জয়েন্ট ইনস্টিটিউট ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ
শিক্ষক, রাশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি, মস্কো
