বিজন ভাবনা

বিজন ভাবনা (২৮): নির্বাচন – “হ্যাঁ” না “না” 

-বিজন সাহা

 

সোভিয়েত ইউনিয়নে আর্মেনিয়ান রেডিও বলে এক হিউমারিস্টিক প্রোগ্রাম ছিল। সেখানে শ্রোতারা বিভিন্ন প্রশ্ন করত আর রেডিও থেকে তার উত্তর দেয়া হত। এক শ্রোতার প্রশ্ন ছিল
– যদি কেউ ধর্ষণ করতে চায় তাহলে কি করা উচিৎ।
উত্তর
– যদি এড়ানো সম্ভব না হয় তবে উপভোগ করা।
আপাত দৃষ্টিতে এটাকে একটি স্থূল চুটকি মনে হতে পারে। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নে বাকস্বাধীনতা ছিল সীমিত তাই এরকম সাংকেতিক ভাষায় মানুষ তাদের মনের ভাব প্রকাশ করত। এই চুটকির একটা অর্থ হল – যদি সরকারি আদেশ অমান্য করা না যায় তবে সেটাকে যতদূর সম্ভব নিজের কাজে লাগানো উচিৎ।
‌কথাটি মনে পড়ল দেশের নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির পর্যালোচনা করতে গিয়ে। কারণ মনে হচ্ছে অনেকেই নিজের সমস্যা সমাধানে বা স্বার্থ রক্ষায় এত ব্যস্ত যে বৃহত্তর ছবিটা দেখতে পাচ্ছে না। এটা ঠিক যে পারফেক্ট বলে কিছু নেই, তবে চেষ্টা করা উচিৎ সেটা অর্জন করার। কিন্তু সবসময় বিজয় দিয়েই সবকিছু বিচার করা ঠিক নয়, পরাজয়ের ক্ষতিটা কতটুকু কমানো গেছে সেটাও হিসেবে নেয়া দরকার। আর এই হিসাব যখন সামনে আসে তখন পরাজয়ের মধ্যেও জয়ের চিহ্ন দেখা চায়, সেটাকে সম্বল করে সামনের দিকে যাওয়া যায়, ভবিষ্যৎ বিজয়ের ভিত্তি রচনা করা যায়। তাই আগামী নির্বাচন নিয়ে আমাদের সেই আলোকেই ভাবতে হবে, চারিদিকে যখন বাংলাদেশের পরাজয় আর পাকিস্তানের জয়জয়কার তখন এই পরাজয়কে কীভাবে ঠেকানো যায় সেটা নিয়েও চিন্তা করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে অনেক দিন আগের একটি ঘটনা মনে পড়ে গেল। ১৯৮০ সাল। আমরা এসএসসি পরীক্ষা দিতে গেছি। বাড়ি থেকে দূরে বিধায় পরীক্ষার সময় অন্য এক জায়গায় থাকতাম। আমার সাথে আরও একজন থাকে। বাংলা কিংবা ইংরেজি পরীক্ষার আগের দিন খুব করে বুক কিপিং করছিল। বললাম
– এখন আগামীকালের সাবজেক্টটা দেখ। যদি এই পরীক্ষায় খারাপ কর তাহলে  বুক কিপিং লেটার মার্কও কোন কাজে আসবে না।
দুঃখজনক ব্যাপার হল, ঐ ছেলে বুক কিপিংএ লেটার পেলেও বাংলা বা ইংরেজিতে ফেল করায় সেবার আর পাশ করেনি। কেন এই কথা বললাম? আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছুতে অনেক অনেক সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। যদি কোন সিঁড়ি অতিক্রম না করতে পারি, উপরে ওঠা সম্ভব নয়। তাই জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, চেষ্টা করতে হয় সেটা অতিক্রম করার। আজ আমাদের সামনে যে নির্বাচন তাও আমাদের অতিক্রম করতে হবে। এবং কিভাবে এই নির্বাচনী বৈতরণী পারি দেব তার উপর নির্ভর করবে দেশের ভবিষ্যৎ। এখন প্রশ্ন আসতেই পারে আমি যদি খেলার মাঠেই না থাকি তাহলে খেলব কীভাবে? আধুনিক ফুটবলে বল পায়ে খেলার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বল ছাড়া খেলা। অথবা দল থেকে বাদ পড়লে শুধু সেই সব খেলোয়াড়ই ফিরে আসে যারা হাত পা গুটিয়ে বসে না থেকে অনুশীলন চালিয়ে যায়, নিজেকে প্রস্তুত রাখে।

কথা হচ্ছে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে। আজ যে আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে না তার পেছনে নিজের দায় কম নেই। আমরা যারা দেশে প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন চাই, তারা অবশ্যই আশা করেছিলাম যে সমস্ত রাজনৈতিক দল নিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু যদি সেটা না হয় তাহলে? ফেসবুকে দেখলাম প্রধান উপদেষ্টা নাকি আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে তাদের নিয়ে নির্বাচনের কথা ভাবা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। যদিও ফেসবুকে কোনটা সত্য আর কোনটা বানানো, সেটা বলা কষ্ট। যদি ধরেও নেই যে তিনি সত্যি সত্যি এই কথা বলেছেন সেটা তিনি কতটুকু দেশের আর দেশের মানুষের কথা ভেবে বলেছেন আর কতটুকু নির্বাচন পিছিয়ে নিজের ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করতে চাইছেন সেটাই বা কে জানে? ডঃ ইউনুস যে সর্বান্তকরণে চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে এ নিয়ে মনে হয় কারোই সন্দেহ নেই। তার একদিন বেশি ক্ষমতায় থাকা মানে দেশ ও দেশের মানুষের কপালে আরও বেশি দুঃখের বোঝা চাপিয়ে দেয়া। রুশরা বলে খারাপ সৈনিকের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে তাকে জেনারেল বানাতে হয়। কারণ একমাত্র তখনই জেনারেলকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অবসরে পাঠানো যায়। এখানেও সেই একই কেস। আর তাই বিগত দেড় বছরের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হয় দেশের মঙ্গলের জন্যই সবার উচিৎ নির্বাচন যাতে সময় মত হয় সে ব্যাপারে তাকে যতদূর সম্ভব সাহায্য করা।  আর সেই  দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটাই বলা যায় এমনকি আওয়ামী লীগ, যারা এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না, তাদের উচিৎ সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন হতে দেয়া। ডঃ ইউনুস সুযোগ খুঁজছেন নির্বাচন বাঞ্চাল করার। তাকে সেই সুযোগ দেয়া মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা।

একটা সময় ছিল যখন নির্বাচনে সত্যিকার অর্থেই প্রচুর যোগ্য প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন। তারা ছিলেন সৎ, দেশপ্রেমিক, জনদরদী। আজ এসব অতীত ইতিহাস। শুধু আমাদের দেশেই নয়। এখন প্রায়ই খারাপের মধ্য থেকে তুলনামূলক কম খারাপ বেছে নিতে হয়। বাংলাদেশ ব্যতিক্রম নয়। এবার নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়েতের মধ্যে। মনে রাখতে হবে শত প্রশ্নের পরেও বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেই থাকতে হবে। কারণ মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে স্বাধীনতার ঘোষক থাকে না। আর বিএনপির অন্যতম প্রধান তুরুপের তাস জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক। অন্য দিকে জামায়েত স্বঘোষিত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। এখন পর্যন্ত একাত্তরের কুকর্মের দায় স্বীকার করে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। উল্টো চব্বিশের পট পরিবর্তনের পর মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত ইতিহাস মুছে দেয়া হয়েছে জামায়াতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশগ্রহণে। তাই এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সিপিবি সহ সমস্ত দল ও জনগণ, যারা একাত্তরে বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে তাদের উচিৎ জামায়েতকে এই নির্বাচনে গোহারা হারানো যাতে তারা একটা সীটও না পায়। একমাত্র এভাবেই স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি দেশকে একাত্তরের ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

জীবনে বাইপাস করে কিছু হয় না, সমস্ত বাধা বিপত্তি মোকাবেলা করেই সামনের দিকে অগ্রসর হতে হয়। ব্যক্তি জীবনে কালেভদ্রে বাইপাস সম্ভব হলেও জাতীয় জীবনে প্রায় অসম্ভব। তাই এসব ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হয় আর যদি লাভের সম্ভাবনা না থাকে তবে সম্ভাব্য সবচেয়ে কম ক্ষতিকর ফল পাওয়ার চেষ্টা করতে হয়। বিভিন্ন প্রশ্নে হাজারটা মতানৈক্য থাকার পরও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, শত্রু নয়, জামায়াত দুই পক্ষেরই শত্রু। কারণ জামায়াত কোন রাজনৈতিক দল নয়, ক্ষমতা দখলের জন্য সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। আওয়ামী লীগ, বিএনপি এরা ক্ষমতায় গেলে গণতান্ত্রিক পথেই সরকার পরিবর্তনের ক্ষীণ সম্ভাবনা হলেও থাকবে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ইরান, আফগানিস্তানের মত সব দলের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। সেই পরিণামের কথা মাথায় রেখে হলেও এখন সবার উচিৎ জামায়াত ঠেকানো। যেহেতু বিএনপি ভিন্ন কোন বিকল্প নেই তখন সবাইকে বিএনপির পেছনেই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এখনই তাদের সাথে বিভিন্ন প্রশ্নে আলোচনা করা ও নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে সবার জন্য গ্রহণযোগ্য মতৈক্যে পৌঁছা।

পড়ুন:  বিজন ভাবনা (২৭): ইরান  -বিজন সাহা  

এবার শুধু সংসদ নির্বাচন নয়, এই সাথে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। বেশ কিছু প্রশ্নে এই গণভোট হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে সব সংশোধনের পক্ষে অথবা বিপক্ষে একই সাথে ভোট দিতে হবে যা মনে করি সরকারের চক্রান্ত। এ প্রসঙ্গে ১৯৯৩ সালে রাশিয়ার গণ ভোটের কথা মনে পড়ছে। প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন সেই গণভোটের আয়োজন করেছিলেন। চারটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছিল ভোটারদের। ইয়েলৎসিনের প্রচারণা ছিল – দা, দা, নিয়েৎ, দা – মানে হ্যাঁ, হ্যাঁ, না, হ্যাঁ। রুৎস্কই, হেজবুল্লাতভের গস দুমা বা রাশিয়ান পার্লামেন্ট প্রচার করেছিল নিয়েৎ, নিয়েৎ, দা, নিয়েৎ বা না, না, হ্যাঁ, না। তবে আমাদের জনগণের তুলনায় তখন রুশ জনগণের অধিকার বেশি ছিল – তারা চাইলে প্রেসিডেন্ট বা পার্লামেন্টের দেখান পথেই না, নিজের ইচ্ছে মত হ্যাঁ বা না করতে পেরেছিল। যতদূর মনে পড়ে এই গণভোটের প্রশ্ন পত্র তৈরি করতে সরকার ঐকমত্য কমশন গঠন করে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা মতৈক্যে পৌঁছুতে পারেনি তাই ব্যালটের প্রশ্ন নিয়ে অনেকের দ্বিমত আছে। প্রশ্ন হল – এমতাবস্থায় আমাদের কি করা উচিৎ। অনেকেই বলছেন ভোট বয়কট করার কথা। কিন্তু এটা করে আমরা কি গণভোট বন্ধ করতে পারব? যদি না পারি তাহলে? আমাদের দেশে কি ফ্রান্স, রাশিয়া এসব দেশের মত উপস্থিতির ব্যাপারে কোন বাধানিষেধ আছে? রাশিয়ায় ২৫%এর কম ভোটার উপস্থিত থাকলে ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়। কোন প্রার্থী যদি ৫০%+১ ভোট না পায় তাহলে প্রথম দুই প্রার্থীর মধ্যে আবার নির্বাচন হয় এবং সেখানে যে বেশি ভোট পায় সে জয়লাভ করে। সেই অর্থে এখানে অটো পাশের কোন উপায় নেই। শুধু তাই নয়, কোন ক্ষেত্রে যদি একজন মাত্র প্রার্থী থাকে তাহলে সেখানে নতুন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয় আর ঐ একমাত্র প্রার্থী নতুন করে আয়োজিত ভোটে অংশ নিতে পারে না। এখনও মনে আছে ২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যাতে এ রকম পরিস্থিতি না হয় সে জন্য সেরগেই মিরোনভ, যিনি পুতিনের সমর্থক, প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন করেন এবং ভোটের সময় পুতিনের হয়ে ভোট চান। আমাদের যেহেতু এ ধরণের বাধানিষেধ নেই, তাই মনে হয় সরকার যদি সামান্য কিছু ভোটার উপস্থিত করতে পারে আর তাদের বেশিরভাগ সংবিধান পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেয় তাহলে সেটাই গৃহীত হবে। আর একবার গৃহীত হলে সেটা পরিবর্তন করা অনেক বেশি ঝামেলার হবে। তাই আমার বিশ্বাস স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির উচিৎ হবে সবাইকে না ভোট দেবার জন্য আহ্বান জানানো। যদি ভুল না করি বিএনপি, সিপিবি এরা বরাবরই নবনির্বাচিত সংসদ সংবিধান সংশোধন করবে এই মতামত ব্যক্ত করেছে। পরিস্থিতির চাপে তারা ঐকমত্য কমিশনে যোগ দিয়েছে, কিন্তু এখন তাদের সুযোগ আছে নিজেদের আদি প্রস্তাব বাস্তবায়ন করার।

তাহলে কি দাঁড়াচ্ছে? যেহেতু ইউনুস সরকার নিজেই নির্বাচন চায় না, যেমন চায় না এনসিপি তাই যেকোনো ভাবেই নির্বাচন করতে হবে, মানে নির্বাচনকে “হ্যাঁ” বলতে হবে, আর যদি গণভোট কোন ভাবেই রোধ করা না যায় তবে সেখানে অংশগ্রহণ করে “না” বলতে হবে। আর সেই নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষের সমস্ত শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে জামায়াতকে গোহারা হারাতে হবে। এ জন্যে প্রয়োজনে সবাই মিলে বিএনপিকে ভোট দিতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে গণভোটে অংশ নিয়ে না ভোট দিতে হবে। সংশয় থাকতে পারে যে বিএনপি কথা রাখবে কিনা। মনে রাখতে হবে যে নতুন সংসদ আগের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত হচ্ছে  আর বিএনপি রাজনৈতিক দল, চাক বা না চাক জনগণের উপর তাকে নির্ভর করতে হয়। সেই বিবেচনায় বিএনপির সাথে কাজ করা জামায়াতের সাথে কাজ করার চেয়ে সহজ হবে। তারেক রহমানকেও বুঝতে হবে যে তার সামনে শুধু ক্ষমতায় ফেরার সুযোগ নয়, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার এক অনন্য সুযোগ এসেছে। এর আগে তার মায়ের কাছে সেই সুযোগ এসেছিল ১৯৯১ সালে নির্বাচনে বিজয়ের পরে। তবে ক্ষমতার লোভে তিনি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। বিগত ৫৫ বছরের বাংলাদেশের ইতিহাস বার বার প্রমাণ করেছে যে ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা কুক্ষিগত করলেও সেটা হারাতে হয়। কিন্তু গণতান্ত্রিক উপায়ে চললে, দেশে বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং দলমত নির্বিশেষে সমস্ত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করলে ইতিহাসে নিজের নাম লেখানো যায়। আর এই মুহূর্তে জামায়াতকে হারিয়েই একমাত্র বাংলাদেশের পাকিস্তান যাত্রা রোধ করা যাবে।

কিন্তু প্রশ্ন হল মানুষ কেন রাজনীতিবিদদের এসব কথায় বিশ্বাস করবে যারা বার বার তাদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দেশটা লুটেপুটে খেয়েছে? এ নিয়ে আমরা কথা বলব আগামী পর্বে।

গবেষক, জয়েন্ট ইনস্টিটিউট ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ
শিক্ষক, রাশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি, মস্কো