চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব শিক্ষা শিবির সম্পন্ন
গত ১০ ও ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ দুই দিনব্যাপী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের যুব ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠকদের নিয়ে চট্টগ্রাম সীওয়ার্ল্ড রিসোর্টে আয়োজিত যুব শিক্ষা শিবির সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবিরে চট্টগ্রাম থেকে ২৫ জন এবং কক্সবাজার থেকে ৬ জন যুব ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠক অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষা শিবিরের উদ্বোধনী সভা ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। বিলস-এলআরএসসি সেন্টার কোঅর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান এ এম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং হাসিবুর রহমান বিল্পব ও জান্নাতুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় উদ্বোধন করেন বিলস-আইএলও প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান নইমুল আহসান জুয়েল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিলস-এর পরিচালক কোহিনুর মাহমুদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য ও টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য শহিদুল্লাহ বাদল, নাসরিন আক্তার ডিনা, প্রকল্প সমন্বয়কারী আশীষ আচার্য্য প্রমুখ।
শিক্ষা শিবিরের প্রথম দিন “চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্ক গঠন, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ”, “কক্সবাজার যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্ক গঠন, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ” এবং “বেসিক আইটি ও সফট স্কিল মূলশিক্ষণ ও ট্রেড ইউনিয়নের জন্য প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক তিনটি উপস্থাপনা এবং “ন্যুনতম মজুরি নয়, প্রয়োজন বাঁচার মত মজুরি” শীর্ষক এক মনোজ্ঞ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দুই পক্ষের ১০ জন অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, দেশের শ্রম সেক্টরের ৮৫ থেকে ৮৭ ভাগ শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক, এবং তাদের রুটি-রুজি নিশ্চিত করা এখন জাতির সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া ন্যুনতম মজুরি কিংবা বাঁচার মত মজুরি যাই বলা হোক না কেন, মানুষ কাজ করে মূলত তার পরিবার এবং পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য। সুতরাং যে মজুরি মানুষের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে পারে না সেটা মজুরি নয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটা চার সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের ভরন-পোষন নিশ্চিত করতে হলে ২০ হাজারের উপরে মজুরি হওয়া দরকার। সেটা নিশ্চিত করা গেলে ন্যুনতম মজুরি কিংবা বাঁচার মত মজুরি নিয়ে বিতর্কের আর অবকাশ থাকতো না। তারা বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়নের অন্যতম লক্ষ শোভন কাজ বাস্তবায়ন করতে হলে, চাকুরী পাওয়া এবং প্রাপ্ত চাকুরী হতে বাঁচার মত মজুরি রাস্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে।
দ্বিতীয় দিন, “অফিস ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিখন ও ট্রেড ইউনিয়নের প্রয়োজনীয়তা” এবং “জাস্ট ট্রানজিশন ও শিপব্রেকিং ইন চট্টগ্রাম” শীর্ষক উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে অংশগ্রহণকারীরা ৬টি দলে বিভক্ত হয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আগামী এক বছরের যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ইস্যু ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও উপস্থাপন করেন।
প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান নইমুল আহসান জুয়েলের সভাপতিত্বে এবং বিলস কর্মকর্তা ফজলুল কবির মিন্টুর সঞ্চালনায় সমাপনী সভায় বক্তব্য প্রদান করেন শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তপন দত্ত, বিলস-এলআরএসসি সেন্টার কোঅর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান এ এম নাজিম উদ্দিন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, শিক্ষা শিবিরটি একটি নতুন ধরণের অভিজ্ঞতা এবং সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা যুব ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের উদ্যোগের জন্য বিলস ও আইএলও-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ অভিজ্ঞতাগুলোর মাধ্যমে যুব সংগঠকরা ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
ওয়ার্ল্ড রিসোর্টে আয়োজিত যুব শিক্ষা শিবির সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবিরে চট্টগ্রাম থেকে ২৫ জন এবং কক্সবাজার থেকে ৬ জন যুব ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠক অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষা শিবিরের উদ্বোধনী সভা ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। বিলস-এলআরএসসি সেন্টার কোঅর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান এ এম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং হাসিবুর রহমান বিল্পব ও জান্নাতুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় উদ্বোধন করেন বিলস-আইএলও প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান নইমুল আহসান জুয়েল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিলস-এর পরিচালক কোহিনুর মাহমুদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য ও টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য শহিদুল্লাহ বাদল, নাসরিন আক্তার ডিনা, প্রকল্প সমন্বয়কারী আশীষ আচার্য্য প্রমুখ।
শিক্ষা শিবিরের প্রথম দিন “চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্ক গঠন, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ”, “কক্সবাজার যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্ক গঠন, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ” এবং “বেসিক আইটি ও সফট স্কিল মূলশিক্ষণ ও ট্রেড ইউনিয়নের জন্য প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক তিনটি উপস্থাপনা এবং “ন্যুনতম মজুরি নয়, প্রয়োজন বাঁচার মত মজুরি” শীর্ষক এক মনোজ্ঞ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দুই পক্ষের ১০ জন অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, দেশের শ্রম সেক্টরের ৮৫ থেকে ৮৭ ভাগ শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক, এবং তাদের রুটি-রুজি নিশ্চিত করা এখন জাতির সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া ন্যুনতম মজুরি কিংবা বাঁচার মত মজুরি যাই বলা হোক না কেন, মানুষ কাজ করে মূলত তার পরিবার এবং পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য। সুতরাং যে মজুরি মানুষের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে পারে না সেটা মজুরি নয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটা চার সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের ভরন-পোষন নিশ্চিত করতে হলে ২০ হাজারের উপরে মজুরি হওয়া দরকার। সেটা নিশ্চিত করা গেলে ন্যুনতম মজুরি কিংবা বাঁচার মত মজুরি নিয়ে বিতর্কের আর অবকাশ থাকতো না। তারা বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়নের অন্যতম লক্ষ শোভন কাজ বাস্তবায়ন করতে হলে, চাকুরী পাওয়া এবং প্রাপ্ত চাকুরী হতে বাঁচার মত মজুরি রাস্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে।
দ্বিতীয় দিন, “অফিস ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিখন ও ট্রেড ইউনিয়নের প্রয়োজনীয়তা” এবং “জাস্ট ট্রানজিশন ও শিপব্রেকিং ইন চট্টগ্রাম” শীর্ষক উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে অংশগ্রহণকারীরা ৬টি দলে বিভক্ত হয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আগামী এক বছরের যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ইস্যু ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও উপস্থাপন করেন।
প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান নাইমুল আহসান জুয়েলের সভাপতিত্বে এবং বিলস কর্মকর্তা ফজলুল কবির মিন্টুর সঞ্চালনায় সমাপনী সভায় বক্তব্য প্রদান করেন শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তপন দত্ত, বিলস-এলআরএসসি সেন্টার কোঅর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান এ এম নাজিম উদ্দিন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, শিক্ষা শিবিরটি একটি নতুন ধরণের অভিজ্ঞতা এবং সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা যুব ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের উদ্যোগের জন্য বিলস ও আইএলও-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ অভিজ্ঞতাগুলোর মাধ্যমে যুব সংগঠকরা ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
