‘সুষ্ঠু নির্বাচন কোন প্রক্রিয়ায় জানতে চাইবে যুক্তরাষ্ট্র’
ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
সুষ্ঠু নির্বাচন কোন প্রক্রিয়ায় জানতে চাইবে যুক্তরাষ্ট্র – দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন উপায়ে অবাধ ও সুষ্ঠু করা হবে-এ সম্পর্কে বাংলাদেশের কাছে জানতে চাইতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ১১ থেকে ১৪ জুলাই বাংলাদেশ সফর করবে।প্রতিনিধিদলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু এবং ইউএসএআইডির এশিয়া ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অঞ্জলি কৌর থাকার কথা।
যদিও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের এ প্রতিনিধিদলের সফর বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়। তবে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এ নিয়ে দৈনিক কালবেলার প্রধান শিরোনাম বলছে দুর্নীতি ও পাচার ইস্যু সামনে আনার চেষ্টা হতে পারে এই সফরে। কালবেলার খবরে বলা হচ্ছে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে এই সফরে। তবে সামগ্রিক আলোচনায় ইতিবাচক ফল না এলে তার পরই দুর্নীতি ও অর্থ পাচার নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে বলে আশঙ্কা ঢাকা ও ওয়াশিংটনের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমাদের চিঠি নগ্ন হস্তক্ষেপ – এই খবরটি দিয়েছে দৈনিক দেশ রূপান্তর। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের রাজনীতিকদের চিঠিকে নব্য উপনিবেশ হিসেবে দেখছে রাশিয়া। একই সঙ্গে তারা মনে করছে, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আরো একটি নগ্ন হস্তক্ষেপ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তাদের ভেরিফাইড টুইটার অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে।
একই সাথে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্যও উঠে এসেছে বিভিন্ন শিরোনামে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন গুলি করে মানুষ হত্যার প্রসঙ্গ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজ দেশে মানবাধিকার নিশ্চিত করা উচিৎ, প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করেছে বেশ কয়েকটি পত্রিকা। এছাড়া “আওয়ামী লীগই পারে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে” প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যও উঠে এসেছে।
মার্কিন প্রতিনিধিদল ছাড়াও ৯ই জুলাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনসংক্রান্ত অনুসন্ধানী মিশনের প্রতিনিধিও আসবে বাংলাদেশে। এই দুই পক্ষের সফরের মূল বিষয় থাকবে আগামী নির্বাচন নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা – এমন উল্লেখ করছে নয়া দিগন্ত। সাথে থাকবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে নির্বাচন নিয়ে একটি সমঝোতার পথ বাতলে দেয়া।
নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল – এই খবরটি দিয়েছে দৈনিক সমকাল। এখানে বলা হয়েছে, ১০ জেলায় নতুন ডিসি বা জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চলতি মাসে আরো অন্তত ১৫ জন জেলা প্রশাসক পরিবর্তনের বদল হতে পারে বলে জানাচ্ছে সময়কাল।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
বিদ্যুৎ খাতের দুর্দশা কাটাতে ক্যাপাসিটি চার্জ প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি আইন বাতিলের সুপারিশ নিয়ে শীর্ষ খবর ইংরেজি পত্রিকা দা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের। বলা হচ্ছে ক্যাপাসিটি চার্জের মডেল ও দায়মুক্তি আইনসহ আরও বেশ কিছু কারণে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। এর ফলে সরকারের ওপর বড় মাপের ভর্তুকির বোঝা তৈরি হচ্ছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। ক্যাপাসিটি চার্জকে ‘লুটেরা মডেল’ হিসেবে উল্লখ করে আইএমইডির এ প্রতিবেদনে খাতটির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রায় সবগুলো পত্রিকার শীর্ষ খবরে উঠে এসেছে ক্রিকেটার তামিম ইকবালের অবসরের বিষয়টি। তাঁর আকস্মিক ও আবেগঘন সংবাদ সম্মেলন এবং ক্রিকেট বোর্ডের সাথে মান-অভিমানের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
কেন সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন বলছে ক্রিকেটপাড়ায় জোর আলোচনা, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে কথায় বনিবনা না হওয়ায় তামিম আবেগতাড়িত হয়ে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। শুধু বিসিবি সভাপতি নন, হেড কোচ চন্ডিকা হাতুরুসিংহের সঙ্গেও বনিবনা হচ্ছিল না তামিমের। কোচ চাইছেন, অভিজ্ঞতাকে পেছনে ফেলে ফিটনেসকে প্রাধান্য দিতে।
পুরো ফিট না হয়ে তামিম ইকবালের খেলার কথা শোনার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনও নেতিবাচকভাবে নিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে এমন নানা কারণে হটাৎ এমন অবসরের ঘোষণা দিলেন তামিম ইকবাল।
# সূত্রঃ বিবিসি নিউজ বাংলা
