চলমান সংবাদ

শোকসভায় উপস্থিত হওয়া—প্রগতিশীল মানুষের নৈতিক দায়িত্ব

-কমরেড আহসানউল্লাহ চৌধুরীর স্মরণে একটি আবেদন

বাংলাদেশের বাম ও প্রগতিশীল আন্দোলনের ইতিহাসে কমরেড আহসানউল্লাহ চৌধুরী এমন এক নাম, যার জীবন ও সংগ্রাম আজও আমাদের সাহস, দৃঢ়তা ও আদর্শিক স্পষ্টতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের অবিচল যোদ্ধা, বিপ্লবী চেতনার প্রাণস্বরূপ এবং শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের এক প্রাণান্তক সাধক। তাঁর জীবনপথ শুধু ব্যক্তিগত ত্যাগ ও আদর্শের গল্প নয়—এটি এই দেশের শ্রমিক, মেহনতি ও বঞ্চিত মানুষের ন্যায়সংগ্রামের এক অমূল্য দলিল।

একজন সত্যনিষ্ঠ, সংগ্রামী ও মানবিক নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো কখনোই মাত্র আনুষ্ঠানিকতা হতে পারে না। বরং তা হয়ে ওঠে আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধতা, ইতিহাসের প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যৎ সংগ্রামের প্রতি অঙ্গীকার। তাই কমরেড আহসানউল্লাহ চৌধুরীর শোকসভায় উপস্থিত হওয়া—
বাংলাদেশের সব বামপন্থি, প্রগতিশীল ও শ্রমজীবী মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।

কারণ, তাঁর শোকসভায় আমাদের উপস্থিতি মানে—

  • তাঁর দীর্ঘ, ত্যাগপূর্ণ ও সংগ্রামী জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন,

  • শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার,

  • শোষণ, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি,

  • এবং আগামীর প্রজন্মের কাছে আদর্শ, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের বার্তা বহন করা।

কমরেড আহসানউল্লাহ চৌধুরী জীবনভর যে আলোকবর্তিকা বহন করেছেন—সেটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে আমাদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তাঁর মতো অকুতোভয় নেতার স্মরণ আমাদের আন্দোলনকে পুনর্গঠিত ও দৃঢ়তর করে।

শোকসভা

তারিখ: ২৯ নভেম্বর ২০২৫
স্থান: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হল (৮ম তলা)
সময়: বিকাল ৪টা
আয়োজক: প্রগতির যাত্রী

শোকসভা পরিষদের চেয়ারম্যান রথিন সেন এবং সদস্য সচিব খোদেজা বেগম,
এছাড়া প্রগতির যাত্রীর সভাপতি নিশিথ রঞ্জন দে ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুকবির মিন্টু,
প্রগতিশীল, বামপন্থি, শ্রমজীবী এবং গণমানুষের মুক্তির স্বপ্নে বিশ্বাসী সকল নাগরিককে এই শোকসভায় সময়মতো উপস্থিত থাকার আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।

জয়তু কমরেড আহসানউল্লাহ চৌধুরী।
তাঁর আলো আমাদের সংগ্রামের পথ দেখাক, তাঁর আদর্শই হোক আগামী দিনের পথপ্রদীপ।